Summary
কম্পিউটার প্রযুক্তি: কম্পিউটার আধুনিক বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন। এর উৎপত্তি গ্রিক শব্দ 'কম্পিউট' থেকে, যার অর্থ হিসাব করা। প্রথমে এটি শুধু হিসাবের যন্ত্র ছিল, পরবর্তীতে একুশ শতকে এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।
কার্যক্রম: কম্পিউটার বর্তমানে দাপ্তরিক কাজ, শিক্ষকতা, প্রকাশনা, বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং বিনোদনসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। শিক্ষার্থী ও গবেষকরা তথ্য বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপনার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করেন।
হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার: কম্পিউটারের বাহ্যিক অংশগুলো হার্ডওয়্যার নামে পরিচিত, যেমন কিবোর্ড, মাউস, র্যাম, মাদারবোর্ড, মনিটর এবং প্রিন্টার। সফটওয়্যার হলো সেই প্রোগ্রাম যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার কাজ করে।
ডিজিটাল বাংলাদেশ: বর্তমান সরকার বাংলাদেশের প্রযুক্তির সুবিধা সকল মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে চায়, যা ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের উদ্দেশ্য।
কম্পিউটার
কম্পিউটার আধুনিক বিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন। কম্পিউটার শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ 'কম্পিউট' থেকে, যার অর্থ হিসাব বা গণনা করা। প্রথম দিকে কম্পিউটার শুধু হিসাব করার যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু কালক্রমে কম্পিউটারের এমন বিকাশ ঘটেছে যে, একুশ শতকের সূচনায় এসে কম্পিউটার মানুষের জীবনযাত্রার সকল কাজের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। অসংখ্য বিজ্ঞানীর বহু বছরের সাধনার ফলে কম্পিউটার প্রযুক্তির এই অভাবনীয় বিকাশ ঘটেছে। দাপ্তরিক কাজ, লেখালেখি, শিক্ষকতা, প্রকাশনা, বাণিজ্য, যোগাযোগ, বিনোদনসহ সব ধরনের কাজ এখন পুরোপুরি কম্পিউটার-নির্ভর। নানা ধরনের তথ্য বিশ্লেষণ ও উপস্থাপনের কাজে শিক্ষার্থী ও গবেষককে কম্পিউটারের সাহায্য নিতে হয়। কম্পিউটারের বাহ্যিক যন্ত্রাংশকে বলে হার্ডওয়্যার বা যন্ত্রপাতি। হার্ডওয়্যারের মধ্যে থাকে কিবোর্ড, মাউস, র্যাম, মাদারবোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি। যেসব প্রোগ্রাম দিয়ে কম্পিউটার কাজ করে সেগুলোকে বলে সফটওয়্যার। বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত করতে চায়; এর মানে কম্পিউটার প্রযুক্তির যাবতীয় সুবিধা দেশের সব মানুষের কাছে সহজলভ্য করে তোলা।